র্যাব-১১ নরসিংদী ক্যাম্প সূত্রে জানা যায়, শিশুটির ওপর নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। পরে মাধবদী থানায় মামলা দায়ের হলে র্যাব ছায়া তদন্ত ও গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আত্মগোপনে থাকা লতা বেগমের অবস্থান শনাক্ত করে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে মাধবদী থানায় হস্তান্তর করা হবে।
এর আগে, শিশুটির ওপর নির্যাতনের ঘটনায় নরসিংদীর প্রবেশন কর্মকর্তা রিজা আক্তার বাদী হয়ে মাধবদী থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় ফারজানা আক্তার লতা বেগমকে প্রধান আসামি করা হয়। একই মামলায় তার স্বামী কাউছার আহমেদ ও বাবা আলমাছ মিয়াকেও আসামি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় লতা বেগমের স্বামী ও বাবাকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। শিশুটির ওপর এমন নৃশংস নির্যাতনের ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে।
দেশ বাংলা টিভি ডেক্স